তবে বুঝতাম কোনটা কী…
স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ে এসে পড়েছি
‘দ্য ইন্টেলেকচুয়ালস্’,
তার দাবিদার বহুজন
এককে ধরলে
অন্যজন প্রশ্ন তুলবে,
শুধুই ও-ই কেন
আমরাও তো আছি!
দোষ যদি ধরা পড়ে
ওতে আমি ছিলাম না
ওরাই তো ছিলো কাছাকাছি…
খেলা-মেলায় মেতে উঠি
লোকেরা জানে আমরা খাঁটি
আসলে আমরা মাথা খাটাই
আসল খাটুনি ওরাই খাটে
মাথা যাদের নাই থাকে
আমরা ওদের বরাবর
ফেলি
খাটিয়াতে
আমাদেরও তো খাটুনি আছে…!
সমাজের চতুর্দিকে
কত শিক্ষিত মানুষ…
সু-শিক্ষিত
পুঁথিতে,
দর্শনশাস্ত্রে ডক্টরেট
হয়তো খুঁড়েছে নতুন
জলের গভীরতা দারুণ…
তার মানে নৈতিকতাও ভরপুর!
ওরা মানুষের
গভীরতা চেনে না
ওদের ইচ্ছে করে জানতে
উত্থান ঠিক কোথা থেকে
কোঠা থেকে কেউ উঠে এলে
জ্ঞানের শিখা
নিভেই থাকে!
পূর্বধারণা
নয়তো
বিজ্ঞপ্তির কামাল
কোন গর্ভনিরোধক আবরণ
কেমন
কে পারে তার দীর্ঘায়ু
বলে দিতে!
ছোটোতে
তখন কনডম্ ফুলিয়েছি
বেলুন ভেবে
প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে
দেখতাম কত কত ফেলে দিত
বৈধতার গন্ডি পেরোলে…
এখন ছেলে-মেয়েরা
দশ কিংবা পনেরো হলেই
ছুটে যায় ঔষধালয়ে
যেথা চেনা জানা
কেউ থাকে
কনডমের দাবি রাখে
তারই কাছে
জিজ্ঞেস যদি করে,
“এ বয়সেও কনডম্ লাগে?”
“জানি না”
তবে প্রিয়া বলেছে,
“যদি না আনিস
ছুঁতে দেবো না তোকে,
পেট হয়ে গেলে এ বয়সে
এবরশন জ্বালা পারবো না সইতে
তুই কি জানবি এসব!
তুই তো জানিস ফেলে দিতে…”
হস্তমৈথুন নিয়ে বললে
লোকে ভ্রু কুঁচকে দেখে
হয়তো বক্ষযুগল
দেখলেও
কেউ দেখে না অমন
আড়চোখে…
কেউ কেউ বলে ওঠে,
ছিঃ! ছিঃ!
কার কাজ নেই
এসব অকাজে…
মেয়েদের মতন
মেয়েদের সঙ্গে
খুব একটা
মেলামেশা নেই…
যারা জানে সব
তবুও মানতে নারাজ
বুদ্ধিজীবী
তারাই
হয়তো
যারা লুকোতে জানে
সুকৌশলে
যারা তীর ছোঁড়ে
তীরন্দাজ অর্জুন হয়ে
ভাবাঘাতে সুধার আনে
অমৃত সুধা
তাই বক্ষজুড়ে
বৃন্ত ফুটেছে পাঁপড়ি হয়ে …
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন