মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫

বিবর্ণ ইতিহাস

আমাকে দাদু-ঠাম্মা মা-বাবার গল্প শোনায়নি
যেমন শোনার সৌভাগ্য হয়
কারো কারো
যতটা শুনেছি মা-বাবার কাছেই,
তাদের ভালোবাসা বুঝি
আমাকে আগলে রাখা দেখে…
যেদিন আমি মেয়ের পেটে
নিরাপদে
শেষ দিন
তারপর আলো দেখবো পৃথিবী-র
কত উচ্ছ্বাস গর্ভভরে…
মা’র কী না কষ্ট হয়েছে সেদিন
কারণ সমস্ত অধিকার ছিন্ন তার
আবার নিঃসঙ্গ 
একলা
যারে পেটে ধরে রেখেছিলো
নয় মাস ধরে
অন্ধকারে
সস্নেহ ভরে
মা-ই জানে এ আলোর শহরে
অন্ধকার ঠিক কতটা গভীরে…

আমি কেমন ঠিক জানি না
কারো কারো কাছে তবে অসুস্থ প্রাণী
কারো কারো কাছে হয়তো থাকার চেয়ে না থাকা শ্রেয়
এ পৃথিবীটা কত রঙীন 
যারা দেখেনি কোনোদিন
আমরা জানি 
দেখি
অর্থাৎ দেখতে পাই দু’চোখ ভরে
কী কুৎসিত পৃথিবী
জরাগ্রস্ত সভ্যতা
কোন শব্দ সন্ধিতে বোঝাই তা!

মেয়ে হয়ে জন্মানো অভিশাপ নয়
তবে শারীরিক সুস্থতা কাম্য
ঠিক ওতে যদি হয় ব্যাঘাত লক্ষনীয়
ঘেঁষতে চায় না কেউ তো
ছোঁয়াচে রোগের মতো …

আমি নদীর মতো
ঢালে বয়ে যাই
ভালো-মন্দ চিনি না তাই
কোন বৈশিষ্ট্যের আধারে কাকে জড়াই!
ওরা যারা কাছে টানে 
প্রয়োজনে
ছুঁড়ে ফেলে সময় পেরোলে
তবুও আমি স্রোতে ভাসমান
কখনো পদ্ম
কখনো কচুরিপানা হয়ে
ভেসে যাই
সময়-স্রোত যেভাবে ভাসায়…

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

উন্মোচন

বৈবাহিক সংলাপ

অর্ধশতকের অর্ধেক বসন্ত পার হয়ে গেছে, মুখে তার ছাপ ভাসমান। তবে আধার ভিন্ন কথা বলে— ওখানে আমি এখনও তরুণ। ছোটোবেলায় বলতো বাবা-মায়ে, “কয়েক ব...

শীর্ষপাঠ