শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বিনিময় প্রথা

সম্প্রতি সমাপ্ত হয়েছে শিক্ষাবিদ্যার স্নাতক স্তরের চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষা। বি.এড. বলতে গেলেই কেমন যেন জিভ জড়িয়ে যায়, ফলে শব্দ তাত্ত্বিক বিচ্যুতি ঘটে 
হয়ে দাঁড়ায় ‘বেড’, বাংলা প্রতিশব্দে যার অর্থ ‘বিছানা’। তবে কি বি.এড. বলতে শয্যাশায়ী অবস্থা? নাকি এর অর্থ আরও গভীরে, যেথা আলোকপাত করতে পারি না আমরা কেউই অন্ধকারের ভয়ে।

ইদানিং এই ক’দিন আগেই চা খেতে গিয়েছিলাম
বন্ধুদের সঙ্গে কোনো এক মোড়ে,
চা দোকানি বলছে একজনকে, “এই তোমাদের মতো মাস্টারাই দেখছো তো কী কী করে বেড়াচ্ছে।”
তখন বুঝলাম, উনি শিক্ষক।
কিচ্ছুক্ষণ চুপ করে থেকে
প্রত্যুত্তরে বলে, “কী আর বলি বলো”…
কেউই চায় না আগুনের ছ্যাঁকা নিতে।
তাই যত দোষ পেশা-পেশাদারিত্বের।

আমার এক বন্ধুর মারফৎ জেনেছি
বি.এড. নামক এক ব্যাধির কথা।
বেসরকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে
কেনা-বেচা হয় শিক্ষার,
হাট-বাজারের হকারদের মতো দর হাঁকে
দালালেরা,
টাকা ছুঁড়লেই শংসাপত্র মেলে, 
বই খুলে পরীক্ষা হয়,
তার বাবদ কিছু নুন্যতম পারিশ্রমিক দিতে হয়।
আবার বহিঃপরীক্ষক ওনার চাহিদা ভিন্ন,
কেউ চায় টাকা, 
কেউ আবার চায় কচি-কাঁচা,
মানুষের বয়স বাড়ে শুধু
চাহিদা ফুরোয় না।

উচ্চস্তরটাই কি এতটা নোংরা?
লোকে কি ঠিকই বলে 
ভালো মানুষটা দেখতে ভালো 
মনটা নর্দমা…!
আমি যদি কখনো শিক্ষক হই
লজ্জিত হবো
কোন সাহসে আমি মেয়েদের চোখে চোখ রাখবো
কোন বুকের পাটায় আমি তাদের আশীর্বাদ করতে ছোঁবো?
কিংবা ছুঁলাম কখনো অশুভ অভিপ্রায়েই,
সেই মেয়ে কি বলতে পারবে কখনো
মা কিংবা বাবাকে গিয়ে —
স্যারেরা আমার হাত ধরে,
ফিগারের নিয়ে কথা বলে…
সে চেপে যায় সব 
পরীক্ষার ফলে প্রভাব পড়বে ভেবে।
ঢেউয়ের মতোই অভিযোগ ওঠে
আবার মুখ থুবড়ে পড়ে 
নিজেরই অন্তরের অভ্যন্তরে,
তার অভিযোগ শুনবে কারা…
যাদের ও বিশ্বাস করে
ওরাও তো চায় কোনোভাবে
কুমিরের খবর কুমিরকে দিলে
কুমিরেই তো গিলে খাবে,
শুধু মুখোশ বদলায়
মুখখানি তো থাকে এক।

আমি এই দুই বছর শিখেছি অনেক —
শিখেছি অসহায়তা,
শিখেছি বর্বরতা,
শিখেছি খিস্তি দিতে,
শিখেছি ফাঁকি দিতে,
শিখেছি কাছে ডেকে ফেরাতে,
শিখেছি প্রতি পদে যাই করি
ছবিতে ভরে দিতে,
শিখেছি নিন্দামগ্ন হতে,
শিখেছি হয়রানি করে
মজা নিতে,
শিখেছি – 
“সবার ওপরে আমিই সত্য তাহার উপরে কেহ নাই”,
শিখেছি আরও অনেক 
পঞ্চ ইন্দ্রিয় যতটা পেরেছে ধারণ করতে।
আমি ভালো হতে পারিনি
যেমনটা বাকিরা পেরেছে,
পিতৃ শিক্ষা ছিলো চুপ করে থেকে যেতে
এথা ওথা মাথা না গলাতে
আমি না গলিয়ে পারি না
আমার মুখ তোতলায়
বুক কাঁপে বটে
হাত তবুও থামে না ঝলকানিতে…

মানুষ তো দেখেই শেখে
অনুপ্রেরণা পায়
চৌর্যবৃত্তি যদি চোরেরা শেখায়
আমি সাধু হয়ে কি ঠাঁই পাবো
ওই ঘেরাটোপে?
প্রতিবাদের ঝড় কখনই ওঠে না
কারণ আমরা মেনে নিই
মনে নিতে পারিনি যদিও…

কার নিয়ে লড়বে কে?
যে ভোগে সেই তো নীরব
প্রাপ্তি নিশ্চিত যদি এটুকুতেই হয়
কে করবে অগ্রাহ্য বলো…

সারি সারি শয়ন কক্ষ
শয্যাসঙ্গী বদলায়
ওত পাতা আছে
যার যেটা প্রয়োজনীয়
পেতে মরিয়া যে কেউ
তখন কে বোঝায় কাকে
ভূত যদি ধরে বেবাকে
সব অন্ধকার পাড়ি দিতে রাজি
আলোকসজ্জায় সাজিবার লাগি
এটুকু তো দিতেই হবে কোরবানি…

আমি ও আমার সন্তানের মা

আমাদের প্রেম ছিল
তারপর বিয়ে হল
লগ্ন মেনেই
পালিয়ে যাইনি…

তখন হয়তো বছর দেড়েক
প্রাক্তন প্রেয়সী
সম্প্রতি 
যিনি অঙ্গের অর্ধাংশের অধিকারী
সন্তান প্রসব করেছেন…

যে প্রণয়ী একদিন মন দখলে রেখেছিল
আজ আমার অঙ্গ-জমিন
লিখিত দলিল ও পাট্টায়
ডিক্রি হয়ে গেল…
আমি সর্বস্ব হারিয়ে
তখন ফ্যালফ্যাল চোখে তাকিয়ে আছি 
ওই মায়াবী’র দিকে…
এক সন্তান গর্ভে ধরে
তুলে দিয়ে বলে,
এই নাও ফসল তোমার
সুদে-আসলে
মুকুব এবারে…

সন্তান স্নেহে তখন মাতোয়ারা আমি,
রমণী’র কথা মনে নেই একেবারে…
অভিযোগ পাহাড়,
“ওই সন্তানের তরেই তবে চেয়েছিলে
আমায়
যারে না দেখিলে অহরহ
মন বিষন্ন
আজ তো লাগে না আর
ইচ্ছে তাই করে না আর
খোঁজ নিতে
কখন খাচ্ছি কি না ঠিক করে!”

কীভাবে বোঝাই ওরে
জানিনা 
কোন সুরে সুরঙ্গনা বোঝে!
আগের মতোই এখনও
জিদ ধরে
খায় না ও অভিমান করে…
ভালোবাসা কি এখনও বোঝাতে হবে
লাভ ইউ, লাভ ইউ
প্রতি পদে পদে বলে!

ওই সন্তান দু’জনেরই 
ওর স্রষ্টা তো তুমি-আমি আমরা মিলেই
তবুও এত প্রশ্নবাণ
যেমন দেখিতে নারাজ
কোনো নারী
অন্য সন্তানকে যদি স্নেহ করি
নিশ্চয়ই ওর জননী সঙ্গ অবৈধ মিলন আমারই…

কীভাবে বোঝাই ওই ক্ষুব্ধ নারীরে
যে প্রতি চুম্বনে আমাকে শুষে নিতে চেয়েছে…
পুরুষ নারীকে ধর্ষণ করে 
এ অভিযোগ বারে বারে 
ওরা যারা ধর্ষিত গৃহশয্যায়
ক্ষোভের আগুনে পুড়ে ছাই
পুরুষ অভিযোগ দায়েরে নারে…
ক্ষুধা 
এমন 
ওমন
বর্ণনা ভিন্ন 
ভিন্ন জনের।

সঙ্গিনী তুমি আমায় খোঁজো তো!
নাকি খোঁজো অন্য কিছু?
মানুষ এক অতৃপ্ত জীব
সাময়িক তৃপ্ত বিছানায়…

বাসরে বেহুলা-লখিন্দর

সেদিন দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসানে
আনিছিনু তারে বহু সাজায়ে
চারিদিক ছড়ানো রজনীগন্ধা আর গোলাপ
মিথস্ক্রিয়ায় সৃষ্ট এক ভিন্ন জগৎ
চোখ থাকাতেও তখন অন্ধ আমি
কাপড়ে বাঁধা 
দুই চোখ
তবুও চিনে নেয় সব
ঘ্রাণে…

আগুন জ্বলছিলো এদ্দিন
ঘী যেন পড়ল এই
সিংহ যেমন শিকারী
চিতাও খুঁজছে শিকার
শিকারও তো চায়…
আমি ধাবিত হই 
দ্রুত বেগে
বেগ বাড়ে ঠিকই
তবুও ঢিমা লাগে অতর্কিতে।
রজনী ঢলে প্রভাতে
অঙ্ক তখন কে মেলায়!

কত কথা
কত শৈল্পিক শৈলী
কত আর্তনাদ
                        উৎফুল্লতার
অতীন তখন গাঢ় আঁধারে
ঈর্ষা হতে জন্মালো অঙ্গার
সর্পও চুমেছে মোরে
অধোদেশের এপারে
মানসের অভিপ্রায়ে
ক্ষুন্নতা কি এমনই!

চিত্তবিনোদন

লোকেদের ছবি নিয়ে বিকৃতি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহারে
ছিনিয়ে নিয়েছি
কার কত কী
ইচ্ছে মতো যাকে যা চেয়েছি
বানিয়েছি
লুক্কায়িত নেই কিছুই…

কত লোককে হাসিয়েছি
হেসেছি নিজেও
তামাশাকারী জানে কি
তাকে নিয়ে কার কত ক্ষোভ!
ক্ষোভের আগুনে ওরা ঝলসিয়েছে বেশ কয়েকবার
আমি আবার উড়িয়েছি ঠাট্টায়
যারা জেনে বুঝে ভুল করে
নির্লজ্জ-বেহায়া —
এ চেয়ে আরো বড় আর কি বিশেষণ হতে পারে?

কখনো তাড়িত হয়ে উত্তেজনায়
কখনও আবার চৈতন্যবস্থায়
মানুষকে গিলেছি 
গিলেছি শব
দু’চোখ ভরে 
তবুও বলি – ছাগল খাই না
মোরগ-মুরগী খেতে কষ্ট লাগে…

বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

রীতি-রেওয়াজ

ছেড়ে যাওয়ার দিনে
কনের চোখে জল না এলেও
জল আনতে হয়
নয়তো লোকচক্ষে 
কেমন একটা দেখায়
বরও তাই 
কনের সুরে সুর মিলিয়ে
একটু কাঁদে 
নিঃশব্দে…
যে মা-বাবাকে জড়িয়ে কাঁদা
নাটকীয় বিদায়ে
সে কন্যাটিই কি একদিন
দেখতে পারে
ওই পর লোকগুলোকে!
তখন নিজ পরিবার
পদবী পেয়েছে 
স্বামী দ্বারে…

নিজের পুত্রই তো পরিচয় নিজের
যে পুত্রলাভের জন্য কত ব্রত
কত মানত ঈশ্বরের কাছে
সে পুত্রই কি 
মা-বাবাকে বুকে ধরে রাখে!
খেতে দেয় দু’বেলা
পেট ভরে 
পুত্রবধূ উঠোনে এলে!
মা বলে ডাকতে
কেমন যেন একটা লজ্জা লাগে 
বড়ো হলে
বাবা যখনই ডাকে 
কোনোও হুলুস্থুলে
বলি, 
“কতবার বলেছি তোমাকে
তোমার ছেলে বলে
লজ্জা দিও না লোকসম্মুখে।”

তবুও চিরাচরিত প্রথায়
বিশ্বাস গভীর
আমি চতুর্থ সন্তানের পরও
অদম্য
পঞ্চম সন্তান 
পুত্র
হয়েই জন্ম নেবে
এ আকাঙ্ক্ষা
অন্তরে অন্তরে
কত রজনী ঝরে পড়ে
সুবাস তবুও আসে না ঘ্রাণে।

বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ওরা যারা কবি হতে চেয়েছিলো

প্রেম-বিরহে মানব-মানবী 
কবি হয়
শোনা কথা
কখনও মিলে যায়…

কেউ কেউ ঘাত-প্রতিঘাতে
স্রোতে গড়াতে গড়াতে
নিজেকে ভেঙে
গড়েছে আবারও…

তবে যে কলমের দহন
এক সময় ছিল মশালসম
আজ ক্ষীণ
নিভতে বসেছে নিভৃতে…
যে কলম তুলির ন্যায়
এঁকেছিলো কত জীবন
সেই তুলিতে 
নিজেকে
তুলতে হাত কেঁপে ওঠে
আবেগঘন হয়ে ফিরে যাই
পিছুতে…

না! না!
কিচ্ছুতেই আর 
ভাবনারা আসে না 
এলেই ওদের হত্যা করি
এমনই নৃশংস হয়ে দাঁড়িয়েছি
কবি নামক সম্বোধনকেই
আজ তীব্র চোখে ঘৃণা করি
কবিতাদের আজ 
ছিন্ন ভিন্ন করে
রাস্তায় ছড়িয়ে দিই
কেউ কুড়িয়ে দেখে না 
এক অক্ষরও
আমি স্রষ্টা হয়ে
সৃষ্টিকে এভাবেই ধ্বংস করি
আমি জন্ম দিয়েছি বটে
পিতা হতে পারিনি…

মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ধুলো জমা স্মৃতি

আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি দিন,
তারপর হয়ে যাবে 
যোগাযোগ ছিন্ন,
কেউই কারো নেবে না খোঁজ
অপ্রয়োজনে,
তাছাড়া কার কাছে কীইবা
প্রয়োজন থাকতে পারে আর…

যে গোষ্ঠীতে শব্দপাত হতো 
বজ্র-বিদ্যুতের ন্যায়
অনর্গল 
                   একসময়
ওটা থেমে যাবে
                        হঠাৎই 
সমাজে মহামারি এলে
এমনই হতো বোধহয়
শুধু পড়ে থাকে 
        গ্রাম
           জনশূন্য হয়ে
কেউ কারো নেয় না খোঁজ
       ছোঁয়াচে অসুখের ভয়ে…

কয়েকটা মানুষের মধ্যে যোগাযোগ থাকবে হয়তো
তবুও স্বল্প সময় —
কেউই কারোরে মনে রাখে না
এ দুনিয়া তা-ই কয়
শুধু খেলবে খেলা
সময়ই দেবে পরিচয়…

শ্বাসরোধের পূর্বে

আগে যে মাদক টেনে স্বর্গসুখ অনুভব করতাম
আগে যে মদকে টনিক ভেবে গিলতাম
আগে যে প্রেমকে নেশা ভেবে
বিভোর হতাম
আজ দিন শেষে
পূর্বাভাস ছাড়াই বজ্রপাতে
ছাইভস্মে খুঁজি
হারানো দিনগুলোকে…

ওরা যারা চলে গেছে
ফেরে না আর
ফিরতে চাইলেও ফিরতে পারে না
ক্ষোভ আর অভিমানে
আমিও অভিযোজিত হতে চাই
আলো পেলেই আলোর দিকে লতা ছড়াই
অন্ধকারে আবার পথভ্রষ্ট হয়ে
গাছ ব্যর্থ হয় সালোকসংশ্লেষণে
নিজেই নিজেকে খেতে খেতে
আত্মোপলব্ধি করেছি অবশেষে
শ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্য আঙ্গিনাতে
নিজেই ছিলাম অলীক বিশ্বাসে…

বেদনার বেতারে
কোলাহলপূর্ণ নির্জনে
আমার শুধু ছায়া আছে
আমি ছুটেছি
তারই পূর্ব-পশ্চাদে…

যারা মঞ্চে ওঠেনি কোনোদিন

বলতে চেয়েছি কতবার
লজ্জা আর ভয়ে
পিছুপা হতে হয়েছে বারংবার…

বহু বছর পূর্বে 
যখন 
প্রথম
জেগেছিলো বুকে ভালোবাসার সাধ
সেদিনও ইচ্ছেকে বলি দিয়েছি
নিজেরই হাতে
করুণা করিনি নিজেই নিজেকে…

লিখতে পারি
বোবাদের মতো
বলতে গেলেই থমকে দাঁড়াই
কন্ঠ যেন আটকে যায়
ওরা ঠিক জানি না কারা 
গলার দিকে হাত বাড়ায়…
নিজেকেই প্রশ্ন করি প্রতিবার
দুরুদুরু বুকে
বেঁচে থাকা
কে দিয়েছে অধিকার…!

শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ছল

বসতি গড়েছি বস্তিতে
আজ পাল্টে গেছে দিন
অতিক্রান্ত ফ্যাকাশে জীবন 
আজ
বড্ড রঙীন…

প্রতিবেশীরা জানে না ওসব
জানানোর কথা ভাবিনি যদিও
আমি যখন একাকি আঁধারে 
উঠেছিলাম এ দরবারে
স্নেহ দেখে উথলে পড়ে
ভিজেছি সেদিন মন-প্রাণ খুলে
ঢেউ আছড়ানো জিন্দেগী —
আব জি লিয়া হ্যায় ব্যাস …

আমার খিদে পায় 
আহারের পরেও
আরো খাই
তবুও পেটে ইঁদুর দৌড়
ঘুমোতে পারি না অনাহারে
আমি ক্ষুধার্ত পিঁপড়ের ন্যায়
খিদের চোখ অন্যরকম
ক্ষুধা কাহারেও চেনে না
খোদার কাছে যেমন আমরা
খিদে পেলেই খেয়ে নেয়…

উন্মোচন

বৈবাহিক সংলাপ

অর্ধশতকের অর্ধেক বসন্ত পার হয়ে গেছে, মুখে তার ছাপ ভাসমান। তবে আধার ভিন্ন কথা বলে— ওখানে আমি এখনও তরুণ। ছোটোবেলায় বলতো বাবা-মায়ে, “কয়েক ব...

শীর্ষপাঠ