তারপর বিয়ে হল
লগ্ন মেনেই
পালিয়ে যাইনি…
তখন হয়তো বছর দেড়েক
প্রাক্তন প্রেয়সী
সম্প্রতি
যিনি অঙ্গের অর্ধাংশের অধিকারী
সন্তান প্রসব করেছেন…
যে প্রণয়ী একদিন মন দখলে রেখেছিল
আজ আমার অঙ্গ-জমিন
লিখিত দলিল ও পাট্টায়
ডিক্রি হয়ে গেল…
আমি সর্বস্ব হারিয়ে
তখন ফ্যালফ্যাল চোখে তাকিয়ে আছি
ওই মায়াবী’র দিকে…
এক সন্তান গর্ভে ধরে
তুলে দিয়ে বলে,
এই নাও ফসল তোমার
সুদে-আসলে
মুকুব এবারে…
সন্তান স্নেহে তখন মাতোয়ারা আমি,
রমণী’র কথা মনে নেই একেবারে…
অভিযোগ পাহাড়,
“ওই সন্তানের তরেই তবে চেয়েছিলে
আমায়
যারে না দেখিলে অহরহ
মন বিষন্ন
আজ তো লাগে না আর
ইচ্ছে তাই করে না আর
খোঁজ নিতে
কখন খাচ্ছি কি না ঠিক করে!”
কীভাবে বোঝাই ওরে
জানিনা
কোন সুরে সুরঙ্গনা বোঝে!
আগের মতোই এখনও
জিদ ধরে
খায় না ও অভিমান করে…
ভালোবাসা কি এখনও বোঝাতে হবে
লাভ ইউ, লাভ ইউ
প্রতি পদে পদে বলে!
ওই সন্তান দু’জনেরই
ওর স্রষ্টা তো তুমি-আমি আমরা মিলেই
তবুও এত প্রশ্নবাণ
যেমন দেখিতে নারাজ
কোনো নারী
অন্য সন্তানকে যদি স্নেহ করি
নিশ্চয়ই ওর জননী সঙ্গ অবৈধ মিলন আমারই…
কীভাবে বোঝাই ওই ক্ষুব্ধ নারীরে
যে প্রতি চুম্বনে আমাকে শুষে নিতে চেয়েছে…
পুরুষ নারীকে ধর্ষণ করে
এ অভিযোগ বারে বারে
ওরা যারা ধর্ষিত গৃহশয্যায়
ক্ষোভের আগুনে পুড়ে ছাই
পুরুষ অভিযোগ দায়েরে নারে…
ক্ষুধা
এমন
ওমন
বর্ণনা ভিন্ন
ভিন্ন জনের।
সঙ্গিনী তুমি আমায় খোঁজো তো!
নাকি খোঁজো অন্য কিছু?
মানুষ এক অতৃপ্ত জীব
সাময়িক তৃপ্ত বিছানায়…
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন