তাই হতভম্ব হয়ে দেখি
আহারে রাজনীতি!
ওরা আপনাদের পাশে সহকর্মীরূপে ছিল এদ্দিন
কর্মযোগে মনে হয়নি লোকগুলো বেখাপ্পা?
প্রশ্ন করেননি কর্মকাণ্ড দেখে,
“আচ্ছা, আপনি চাকুরীটা পরীক্ষা দিয়ে পেয়েছেন?”
যেভাবে আমাদের শিক্ষক প্রায়শই আমাদের ব্যর্থতা দেখে
বলতেন,
“আচ্ছা, তুই কীভাবে ভর্তি হলি রে,
নিশ্চয়ই কোটা’র জাদু-তে?”
এতদিন এত ঝড়-ঝঞ্ঝাতেও
বেপাত্তা চিহ্নিত উত্তরপত্র
এখন দেখি সামাজিক মাধ্যমে
ভেসে বেড়াচ্ছে
রাশি রাশি যান্ত্রিক পাঠযোগ্য উত্তরপত্র…
সত্যি, বিচিত্র চিত্র…
যোগ্যরা মেলায় তাস ঠেকেতে
আর আমরা দু’গ্লাস মদ গিলতে গিলতে
বলি বন্ধুকে —
“আমরা কি যোগ্য ছিলাম না রে?
আমরা কি পারিনি পড়াতে ওদের মতো?
এক মূল্যায়ন আমরাকে অযোগ্য ঠাওরে দেয়,
ওর এত দম আছে!
ছেলে-মেয়েরা তবে জড়িয়ে ধরে কেন কাঁদিয়ে ছিল আমায়?
আমরা তো ওদের মতো পড়াই না –
অযোগ্যরা শুধু গল্পকথক, তাই না?”
নয়’টা বছর ওরা প্রমাণ করেছে যোগ্যতা
আর আমরা বুঝেই উঠতে পারিনি আমাদের নামের আদ্যক্ষর’টা…
ওরা দিয়েছে –
তাই তো কিনেছি ন্যায্যে
ওরা দিলেও দোষী নয়
আমি কিনেছি তাই সমাজের চোখে
আমি অপরাধী, অযোগ্য, অশিক্ষক…
এমনও দিন আসবে না তো —
প্রমাণ দিতে হবে
আমি মানুষ কি না!
সেই মূল্যায়নে হতে পারবো কি নির্বাচিত?
নাকি আবার প্রশ্ন ফিরবে কিনারায় —
যোগ্য-অযোগ্য
আমি ঠিক কোনটায়…
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন