মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫

শিকড়

আজ তেইশ বছর লালন পালনের,
দেওয়া-নেওয়ার বিনিময়ে বন্ধুত্ব-প্রেম গড়ে উঠতে দেখেছি,
স্বার্থ নিহিত স্বজন দেখেছি।
আমার একমাত্র বিনিয়োগকারী 
নিঃস্বার্থ হিসেব-রক্ষক 
হিসেব চাননি কোনোদিন…

ছোটো ছিলাম যখন প্রতিটা থাপ্পড়, চাবুক ছিল ঘৃণ্য, 
ঘৃণ্য ছিল ওই মানুষটাও…
আমি আজ বুঝি, 
খুঁজি হারানো সেসব স্মৃতি,
বাবা কেন পড়তে বলে না আর…?!
বড়ো হয়েছি তো, তাই বুঝি!

দু'পয়সা কামিয়ে দেখেছি,
ভাঙ্গলে বড্ড লাগে,
রক্ত না'হোক ঘাম বেচেছি তো…
উনি বেচেছে রক্ত-ঘাম, নিরলস শ্রম,
নিজে না খেয়ে অন্যকে খাওয়ানো,
নিজে না পরে অন্যকে পরানো,
‘বাবা’ মানেই তো ‘বলিদান’।

কেউ যেন বলেছিলো কোনোদিন,
সন্তান জন্ম দেওয়া সহজ,
‘বাবা’ হওয়া কঠিন।
যৌনালয়ে কত কত ভ্রণ হত্যা হয়, 
কিংবা জন্মায়,
সে-ও তো খোঁজে, স্কুলের মতোই, বাবার কী নাম…
বহিরাবরণে না'হয় মানুষ হলো,
মস্তিষ্ক না'হয় মেনে নিলো,
অন্তর পারবে কি?

আমরা ছোটো থেকেই বাবা পেয়েছি,
কোলে-কাঁধে চড়েছি,
বলেছি কখনো প্রকাশ্য-গোপনে ‘বাপটা মাতাল’, গালি-গালাজ, শারিরীক নির্যাতন করে…
রাস্তার ওরা, 
যাদের কপালে ‘অনাথ’ লেখা,
কিংবা একাকি সন্তান সামলানো ‘মা’,
পর-পুরুষ লুন্ঠনে ভালোবাসে,
সুযোগের সদ্ব্যবহার 
সহবাসে শান্তির নীড় ক্ষনিকের…

বীজ তো বপন হয়, 
গাছ বেড়ে ওঠে,
শিকড় ব্যতিত গাছ কি বাঁচে?

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

উন্মোচন

বৈবাহিক সংলাপ

অর্ধশতকের অর্ধেক বসন্ত পার হয়ে গেছে, মুখে তার ছাপ ভাসমান। তবে আধার ভিন্ন কথা বলে— ওখানে আমি এখনও তরুণ। ছোটোবেলায় বলতো বাবা-মায়ে, “কয়েক ব...

শীর্ষপাঠ