ভীষণ প্রশ্ন জাগে,
প্রায়ই এখন—
শৈশবে যেমন শিশুদের হয়।
বাড়ীতে টাঙানো দেওয়ালপঞ্জিকা,
কত শত ছবি আঁকা।
শুনেছি প্রায় কয়েক কোটি দেবী-দেবতা;
যদিও চোখে দেখিনি,
আমার বাবা-ঠাকুরদাও দেখেননি হয়তো।
তবুও শুনি, ঈশ্বর নাকি মানুষের শরীরে ভর করে,
যেমন ভর করে প্রেতাত্মা।
ঈশ্বরের আবার বিভাগ—
জাতি-ধর্ম ঘিরে ধরেছে ওখানেও।
মসজিদে আল্লাহ্,
যার শারীরিক কোনো রূপ কেউ দেখেনি;
তাই কবর—
ওখান থেকে শাসন চলে তার।
মন্দিরে গিয়ে দেখেছি,
কত শৈলীর দেব-দেবী;
পাথরে যাদের প্রাণ।
তাদের দেখতে—
দীর্ঘ লাইন।
ভক্তবৃন্দ শুনেছে,
ঈশ্বর নাকি উপবাসীদের
কথা শোনে—
তাই অনাহারে ব্রত…
প্রত্যেকের ঈশ্বর ভিন্ন।
পাথর পায় ছাদ,
পাথর পায় দুধ-পানি।
পাথরের ওপর কত প্রাণ
হয় বলি!
ঈশ্বরের কত খিদে—
জানি না আমি।
ওরা যারা পায় না খেতে,
আমাদের চোখে ওরা ভিখিরি।
তাই পাথর পায় খেতে,
শুধু পায় না ভিখিরি।
যে বা যারা ঈশ্বর,
কারো কাছে সেই খোদা।
আমরা আসলে ঈশ্বর চিনি না—
তাই যে যা দেখায়, তা’ই বিশ্বাস।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন