নিয়ম-কানুন।
ওরা জানে না
বিভাগ-বিভাজন।
ওদের কেউ বলেনি,
বাঁচতে হলে
বাছতে হবে।
ঠিকানা আসে পাশেই;
ভুলক্রমে সীমানা পেরোলে,
জান বাঁচাতে গিয়ে
খোয়াতে হতে পারে
…
আবু মিঁয়া,
জীবিকার টানে
এভাবেই এসেছিল এখানে।
দ্বিখণ্ডিত হওয়ার আগে
পরিবার ছিল এখানেই।
তারপর একে একে
চলে যেতে হয়েছে।
আজ দুই দশকের বেশি
এ জমিনে আছি।
ওদের যা আছে, দিয়েছি সব।
আমি বুঝি না ওসব—
উকিল-ওকালত।
ওরা বলে,
“এগুলো কোনোটাই প্রমাণ নয়
নাগরিকত্বের।”
বলুন,
তবে কী দেখাই?
প্রমাণ দেখাতে
দেখাবো খুন?
যতদূর জানি,
সবার খুন এক।
তবুও কয়েকের প্রতারণাতে
শুনতে হয় প্রতারক।
মুসলিমের ঘরে জন্মানো হারাম?
মুসলিম শুধু বাংলাদেশ ও পাকিস্তানেই জন্মায়?
রাজার আদেশ—
উচ্ছেদ।
মুখ তুলে বলবি,
কোন মুখে?
তোর গড়া ভিটেমাটি
গুঁড়িয়ে দেবে বুলডোজার।
ফিরে যাবি সেথা,
যেথা ছিলি
তুই এককালে।
কপালে লেখা—
নাগরিক তুই ও দেশের।
পরদেশে ঠাঁই পাবি কী করে?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন